নিম পাতার উপকারিতা ও এলার্জির মহা ঔষধ

নিম পাতার উপকারিতা এলার্জির মহা ঔষধ



এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

এলার্জি একটি অস্বস্তিকর রোগ যা কম বেশি অনেকেই এই রোগের ভুক্তভুগি। কত ঔষধি না খেয়ে থাকেন এই রোগের জন্য তবুও নিরাময় হয়না। ঔষধ খাওয়ার পর কিছুদিন কমে আবার যা তাই। কত ভালো ভালো খাবার থেকে যে নিজেকে দূরে রাখতে হয় তা একমাত্র ভুক্তভুগিই জানেন। তবে এলার্জি নিয়ে আর কোন ভাবনা নেই। এলার্জি আক্রান্ত বেক্তিরা সব চিন্তা ভুলে যান কারন এলার্জিকে চিরতরে বিদায় করতে রয়েছে নিম পাতার উপকারিতা। এই ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে নিম পাতার মিশ্রণে মাত্র এক মাসেই আপনার এলার্জি চিরতরে বিদায় করুন। কারন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি প্রমানিত হওয়ায় বলা হয় নিম পাতা এলার্জির মহা ঔষধ।



কেন নিম পাতা এলার্জির মহা ঔষধ

সাধারণত বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া থেকে শরিরে এলার্জি দেখা দ্যায়। কারও কম আবার কারোর বেশি হয়ে থাকে। তাই নিম পাতা এবং তার নির্যাসে রয়েছে এন্টিসেপটিক, এন্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এবং ফ্যাটি এসিড যা আপনাকে স্বাস্থ্যকর ত্বক এবং চুল উপহার দ্যায়।



নিম পাতার উপকারিতার শেষ নেই যানা অজানা অনেক ধরনের উপকার রয়েছে নিম পাতায়। তবে এলার্জির জন্য যে নিম পাতা একটি মহা ঔষধ এটা অনেকেরই অজানা, তো আসুন যেনে নেই নিম পাতার উপকারিতা কি কি, কি কি উপকারিতার কারনে নিম পাতাকে এলার্জির মহা ঔষধ বলা হয় এবং এলার্জি দূর করতে নিম পাতা কিভাবে ব্যবহার করতে হয়।



নিম পাতার উপকারিতা

কিছুদিন আগে আমার বন্ধু কবির তার ছট বোনের শরীরের এলার্জির বিষয়ে আমার সাথে শেয়ার করেছিলো, কবির প্রথমে ব্যাপারটা খুব একটা গুরুত্ত না দেয়ায় এলার্জি দিন দিন বারতে থাকে এবং ওর বোনের স্কুলে যাওয়াটাও বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিভিন্ন চিকিৎসা করেও খুব একটা ফলাফল পাওয়া যায়নি।


আমি কবিরের সব কথা শুনি এবং পরে আমি ওকে নিম পাতার উপকারের কথা বলি। যদিও কবির বিষয়টি হাস্যকর হিসেবে ন্যায়, কিন্তু ও আমার কথামত কাজটা নিয়মিত ১ মাস করে কারন এতে কবিরের কোন পয়সা খরচ হয়না। কিন্তু মাত্র ২৫ দিনের মাথায় ও অবাক হয়ে যায়। কারন যেখানে টাকা খরচ করে এলার্জি দূর করতে পারেনি সেখানে বিনা পয়সায় এলার্জি দূর হয়ে গেলো। পরে কবির আমার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। এলার্জি ছারাও আরও অনেক রোগ ভালো করতে রয়েছে নিম পাতার উপকারিতা।


নিম গাছ একটি বহু ঔষধি গুন সমৃদ্ধ ভেষজ উদ্ভিদ। যা বাংলাদেশ সহ এশিয়ার প্রায় দেশেই হয়। তবে মায়ানমার এবং বাংলাদেশে নিম গাছ বেশি দেখা যায়। নিচে আরও কিছু নিম পাতার উপকারিতা তুলে ধরা হল।


💢 মুখের ব্রন দূর করতে রয়েছে নিম পাতার উপকারিতা। মুখের ব্রন দূর করতে নিম পাতার নির্যাস ব্যাবহার করতে পারেন। যারা বিভিন্ন কিছু ব্যবহার করেও মুখের ব্রন দূর করতে পারছেন না তারা নিম পাতার নির্যাস পেস্ট করে ব্রন ভালো না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন গোছলের আগে মুখে লাগান। ইনশা আল্লাহ্‌ ব্রন ভালো হবে



💢খিটখিটে ত্বক সতেজ করতে রয়েছে নিম পাতার উপকারিতা। খিটখিটে ত্বক সতেজ ও প্রানবন করতে নিম পাতার নির্যাস ব্যাবহার করতে পারেন। কারন নিম পাতার নির্যাস পানি দিয়ে গুলিয়ে কাদার মত করে ত্বকে মাখলে ত্বক শান্ত নরম ও প্রাণবন্ত হয়।



💢 মাথার ত্বকের চুলকানি খুশকি উপশম করতে রয়েছে নিম পাতার উপকারিতা। নিম পাতার নির্যাস পানি দিয়ে পেস্ট করে কয়েকদিন মাথায় লাগান। মাথা ঠাণ্ডা হবে খুশকি এবং মাথার চুলকানি দূর হবে।



💢 শরীরের খত সারাতে রয়েছে নিম পাতার উপকারিতা। এটিও একই পদ্ধতিতে নিম পাতার নির্যাস পেস্ট বানিয়ে খত স্থানে কয়েকদিন নিয়মিত লাগান। এতে শরীরের খত ভালো হবে।



এলার্জিতে নিম পাতার ব্যবহার

নিম পাতার উপকারিতা ও এলার্জি বিষয়ে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় এটি প্রমানিত যে নিম পাতা এলার্জির মহা ঔষধ। আর এই কারনেই এলার্জি দূর করতে নিম পাতার উপর ১০০% ভরসা করতে পারেন।


এলার্জিতে নিম পাতার ব্যবহার খুবই সহজ। আমার দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী একবার ব্যবহার করলেই আপনার এলার্জি সমস্যা সমাধান পাবেন।


এলার্জিতে নিম পাতা দুই  ভাবে ব্যবহার করা যায়। প্রথমে সবুজ নিম পাতা সংগ্রহ করুন তারপর এটিকে ভালো করে ধুয়ে পাটায় পিষে গোছলের আগে সারা শরীরে আধাঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন। পরে গোছল করে ফেলুন এভাবে টানা ১ মাস নিম পাতার নির্যাস বাবহার করলে ইনশা আল্লাহ্‌ চিরতরে এলার্জি দূর হবে।


দ্বিতীয়ত নিম পাতা সংগ্রহ করে রোদে শুকিয়ে ব্লেন্ডার দিয়ে গুড়ো করে রাখতে পারেন। এবং তা পরবর্তীতে কৌটায় ভরে অনেকদিন সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। পরে শুধু পানি দিয়ে পেস্ট বানিয়ে গোছলের আগে ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে নিম পাতা গুড়ো করার ঝামেলা কম হয়। 


মনে রাখবেন এলার্জি ছারাও নিম পাতা ত্বকের যত্নে খুবই কার্যকারী।



আরও পরুন

হার্ট সুস্থ রাখার ৬ টি উপায়! Healthy Heart

শিমুল মূলের উপকারিতা কি

মুখের তৈলাক্ততা দূর করার উপায়


ইন্টারনেটে স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল তথ্য পেতে Creativea2z পেজটি ভিজিট করুন।

Creativea2z

Post a Comment

0 Comments