মুখের তৈলাক্ততা দূর করার উপায়

মুখের তৈলাক্ততার ভাব সমস্যাটি অনেক ছেলে মেয়ে সহ বিভিন্ন বয়সের ব্যক্তিদের মুখে লক্ষ্য করা যায়। কিভাবে এই মুখের তৈলাক্ততা ভাব দূর করা যায়। সেই বিষয়ে জানতে এই পোষ্টে থাকা সকল প্রকার উপায়গুলো জানতে পারবেন। সে জন্য পুরো পোষ্টটি পড়ে বুঝে জেনে নিতে পারেন, মুখের তৈলাক্ততা দূর করার সঠিক উপায়গুলো।  



মুখের-তৈলাক্ততা-দূর-করার-উপায়



মুখ তৈলাক্ততা হয় কেন

প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় আমাদের ত্বকের। তবে অতিরিক্ত রোদের তাপমাত্র বেড়ে গেলে মুখের তৈলাক্তভাব শুরু হয়। যা আমাদের মুখের উজ্জ্বলতা পুরোপুরীভাবে নষ্ট করে দেয়। এছাড়াও বাহিরের বিশাক্ত পরিবেশের কারণে বেড়ে যায় মুখের তৈলাক্ততা। যা কিনা আমাদের মুখ সব সময় তৈলাক্ততার মধ্যে থাকে।





মুখের তৈলাক্ততা হওয়ার কারণ

মুখের তৈলাক্ততা দূর করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম জানে রাখা প্রয়োজনে। প্রথমে খাবারের বিষয়ে জানতে হবে। যেসব খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত তেলের ভাব তৈরী হয় সেগুলো খাওয়া যাবে না।

যেমন, মিষ্টি জাতীয় খাবার, তেলে ভাজা খাবার, ময়দা জাতীয় খাবার এবং দুধ দিয়ে তৈরীকৃত খাবার। এসব খাবার আমাদের শরীরের অতিরিক্ত তেলের উৎপন্ন করে। তাই এসব খাবার খাওয়ার সময় অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিৎ।






ফেসওয়াস এর ব্যবহার

মুখের তৈলাক্ততা দূর করার জন্য অনেকে ফেসওয়াস ব্যবহার করে। কিন্তু মুখের তৈলাক্ততা দূর করার জন্য অনেকে দিনে ঘন ঘন ফেসওয়াস ব্যবহার করে। এরকম পর্যায়ে ফেসওয়াস ব্যবহারের ফলে মুখের তৈলাক্ততা অনেক বেড়ে যায়। কারণ দিনে বেশি বেশি ফেসওয়াস ব্যবহার করলে মুখের প্রাকৃতিক অয়েল নষ্ট হয়ে যায়।

মুখে অতিরিক্ত ফেসওয়ার ব্যবহারের ফলে আমাদের এই প্রাকৃতিক অয়েল নষ্ট হয়ে গেলে মুখের অতিরিক্ত তৈলাক্ততা দেখা যায়। মুখ পরিস্কার রাখার জন্য দিনে কমপক্ষে ২বার ফেসওয়ার ব্যবহার করা উত্তম।






মুখের তৈলাক্ততা দূর করার উপায়

মুখের  তৈলাক্ততাভাব দূর করার জন্য রুমাল অথবা টিস্যু ব্যবহার করবেন। রুমাল দিয়ে মুখের ঘাম পরিস্কার করলে সেই ঘাম রুমালের সাথে মিশে থাকে। পরবর্তী সময়ে আবার ঘাম চলে আসলে সেই রুমাল ব্যবহারের ফলে মুখের মধ্যে ব্যকটেরিয়ার সৃষ্টি হয়।

সে কারণে মুখের তৈলাক্ততা দূর করার জন্য টিস্যু ব্যবহার করা উত্তম। তাছাড়া টিস্যু দিয়ে মুখ পরিস্কার করলে মুখ অনেক ফ্রেস থাকে।  







মুখের স্প্রে

মুখের তৈলাক্তভাব দূর করা জন্য ফেসওয়াস ব্যবহার করার পর সেই সময়ে স্প্রে ব্যবহার করা প্রয়োজন। কেননা মুখে স্প্রে ব্যবহার করলে মুখের তৈলাক্তভাব অনেক কমে যায়। মুখের স্প্রে তৈরী করার সহজ উপয়। প্রথমে ৪ থেকে ৫ চামুচ গোলাপজল এবং ২ চামুচ অলিভ অয়েল নিতে হবে। এই দুটি উপাদান মেশানো হয়েগেলে মুখে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বকের তৈলাক্তভাব অনেক কমে যাবে।

এছাড়াও স্প্রে ব্যবহারের ফলে ত্বকের পি,এইচ লেভেল এবং মুখের উজ্জ্বলতার ভাব ঠিক থাকবে। ত্বকের মধ্যে পি,এইচ লেভেল ৪.৫ অথবা ৫.৫ হয়ে থাকে। এসব লেভেলের পরিমান ত্বকের যাবতীয় ব্রণ বা কালো দাগ সহ পাঙ্গাস জাতীয় সমস্যা দূর করে। এই লেভেল অনুযায়ী আমাদের ত্বককে রাখে অনেক স্বাস্থ্যজ্জ্বল। ত্বকের এই পি,এইচ লেভেলটি কম এবং বেশি হয় তাহলে ত্বকের তৈলাক্ততা সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক তৈরী হয়। 






বাহিরে যাওয়া

বাহিরে যাওয়ার সময় বিশেষ করে রোদ থেকে রক্ষা পেতে চশমা ব্যবহার করা ত্বকের জন্য উত্তম পদ্ধতি। কারণ সুর্য্যের ইউভি রশ্মি ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দেয়। এছাড়াও ত্বকের তৈলাক্তভাব বৃদ্ধি হয়ে যায়। 

সে জন্য বাহিরের যাওয়ার সময় চশমা ব্যবহার করা অতি উত্তম। রোদে চশমা ব্যবহারের জন্য অবশ্যই কেনার সময় এস,পি,এফ এর সঠিক মান যাচাই করা প্রয়োজন।



সবশেষে বলা যায় এসব বিষয় অনুসরণ করলে মুখের তৈলাক্ততা অনেক কমে যাবে। উপরে থাকা সঠিক নিয়মগুলি ব্যবহারের ফলে ত্বক থাকবে সঠিক উজ্জ্বল ও সতেজ।  


এছাড়াও প্রয়োজনীয় সকল প্রকার স্বাস্থ্য বিষয়ক জানতে ভিজিট করতে পারেন www.sabuj240.com 

 

Post a Comment

0 Comments